ঢাবিতে লালমাটির নবীনবরণ, বেলাল খানকে সংবর্ধনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শিক্ষার্থীদের ছাত্রকল্যাণ মূলক সংগঠন ‘লালমাটি’র’র আয়োজনে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্তিতে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী, সখিপুরের কৃতি সন্তান সুরকার, সংগীত পরিচালক ও সংগীতশিল্পী বেলাল খানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

শুক্রবার বিকেল ৪ টায় ঢাবির কারাস অডিটোরিয়ামে এ নবীনবরণ, সংবর্ধনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। লালমাটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাদ্দাম হোসেন উদয়ের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির এমআইএস বিভাগের অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাপেক্সের ব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) এস. এম. আল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের শাখা ব্যাবস্থাপক রায়হান হামিদ সিকদার এবং ঢাকা মেইলের চীফ রিপোর্টার মোঃ ওয়াজেদ হীরা।

অনুষ্ঠানে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘লালমাটি’র ১৬ জন নবীন সদস্যকে অতিথিদের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তিতে বেলাল খানকে লালমাটির পক্ষ থেকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং সবর্ধনা স্মারক তুলে দেন প্রধান অতিথি, উদ্বোধন এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। এ সময় অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বেলাল খান বলেন – ‘আমি আপ্লুত, আমি সত্যিই খুব অনারড! সারাদেশ থেকে অনেক পুরস্কার- সম্মাননা পেয়েছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেও পেয়েছি! তবে এটি এক অন্যরকম অনুভূতি! নিজের ঘরের পরিবারের মানুষের কাছ থেকে এমন সম্মানপ্রাপ্তিতে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। লালমাটির প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ লালমাটির সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। তিনি সবসময় সখিপুরের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন ছাত্রজীবন শুধুই পড়াশোনার নয় উপভোগেরও! তিনি বলেন – ‘আমি জীবনে অনেক পড়াশোনা করেছি, অনেক পরিশ্রম করেছি। তোমাদের আমি বলছি, তোমাদের মন যা চায় তা করবে, জীবনকে উপভোগ করবে। কেননা জীবন একবারই! আর দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় ভবিষ্যৎ এর জন্য ব্যয় করবে। কারন, দিন শেষে আমাদের একটা আত্মসমালোচনা থাকবে যে আমি যে ২৪ ঘন্টা পেয়েছিলাম সেই সময়টাকে কি কাজে লাগিয়েছি।’

লালমাটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তামান্না তাবাসসুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বদরুন্নেসা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শফিউল আযম, জনতা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মীর আনিসুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু বকর সিদ্দিক দীপ্ত ও তাঁর সহধর্মিণী প্রভাষক আসমাউল হুসনা রুনি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম হাবিবুল্লাহ বিপ্লব, সোশাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র অফিসার আবু লাইস, বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড একচেঞ্জ কমিশনের সহকারী পরিচাক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

Facebook Comments