ছাত্রলীগ নেতা অভিকে জবাই করে হত্যা করতে চেয়েছিল,দুইবার নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যখন এক দফা দাবি দেওয়া হয়েছে তখন কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ অফিস রক্ষা করার শপথ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের নেতা মো: শাফায়েত হোসেন অভি। মরে যাবে তারপরও আওয়ামী লীগ অফিস রক্ষা করবেই। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে ছাত্রদল আর শিবিরের জন্য। তারা অভিকে কুঁপিয়ে ড্রেনে ফেলে রেখে চলে যায়। একজন রিকশা চালক তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার চিকিৎসা করতে চায়নি। জোর করে চিকিৎসা করালে বলে সে মৃত।
অভির মায়ের বিশ্বাস ছিলো সে তখনো বেঁচে আছে। ৬ ঘন্টা পর তার নিঃশ্বাস আসে। হাসপাতালের একজন ঝাড়ুদার তার সমগ্র শরীর সেলাই করে। আবার জানাজানি হয়ে যায় অভি হাসপাতালে আছে। তখন আবার হাসপাতাল ঘেরাও করে। হাসপাতালের কাজের মহিলার কাপড় দিয়ে ঢেকে তাকে কিশোরগঞ্জ থেকে নিয়ে চলে যায় নেত্রকোণায় খালার বাসায়।
৩ মাস খালার বাসায় থেকে শরীরের শেলাই শুকায় এবং অভি একটু সুস্থ হয়। কিছুটা সুস্থতার পর চলে আসে ময়মনসিংহ আরেক খালার বাসায়।
অভির সুস্থ হতে সময় লাগে ৬ মাস। সে আবার ঢাকায় চলে আসে। ১১ মার্চ ২০২৫ সালে তার একাডেমিক পরীক্ষা ছিলো। অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরা পরীক্ষা দিয়ে বাহির হলে শিবির এবং ছাত্রদলের কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে চলে যায়।
তাকে কা*পড় খুলে ৩ ঘন্টা পর্যন্ত মে*রেছে। তারা এই ছাত্রলীগ নেতাকে ফাঁ*সি দিতে চেয়েছিল। দড়ি ছিল না বলে তারা অভিকে জ*বাই করার উদ্দেশ্যে মাটিতে শুয়ে দেয়। গলায় ছু*রি লা*গায় তখন টহল পুলিশ চলে আসে। উপায় না দেখে নি*র্যাতন করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অভিকে তিনটা হ*ত্যা মামলা এবং একটা ভা*ঙচুর মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১১ মার্চ ২০২৫ সালে গ্রেফতার হয়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পায় ১৪ মার্চ ২০২৬ সালে।