তেল বিক্রির মুনাফায় ভাসছে সৌদি আরব

ইউক্রেনে অভিযানের প্রেক্ষিতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিতে শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলো। কোনো কোনো দেশ রশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি সীমিত করে দেয়। সেই প্রেক্ষিতে জ্বালানির বিকল্প দেশের খোঁজে নামে জ্বালানিখাতের আমদানিনির্ভর দেশগুলো। ফলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেড়ে যায়।

বৈশ্বিক এমন অস্থিরতার মধ্যে বড় মুনাফা হয়েছে সৌদি আরবের। দেশটির বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো চলতি বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মুনাফা করেছে ৪৮.৪ বিলিয়ন ডলার, মুনাফা বৃদ্ধির হার ৯০ শতাংশ। তালিকাভুক্তির তিন বছরে এবারই এত বেশি মুনাফা হয়েছে আরামকোর। বিশাল পরিমাণ মুনাফা অর্জনের মাধ্যমে আরামকো নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর তেল ও গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এখনো বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম স্থিতিশীল হয়নি। প্রায় প্রতিদিনই জ্বালানির দাম উঠানামা করছে। রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ। কিন্তু রাশিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের অংশ হিসেবে দেশটির ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে চায় পশ্চিমারা। অনেক দেশ পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার ভয়ে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি করছে না। এই পরিস্থিতিতে আরামকো চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।