বঞ্চিতকর্মীদের পাশাপাশি সুবিধাবাদীদেরও তালিকা করতে হবে

যুগে যুগে রাজনৈতিক দলগুলো সরকারের মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। সময়ের চাহিদার সাথেসাথে অনেক রাজনৈতিক দলগুলো নেতাকর্মী বিহীন শূন্যতায় পতিত হয়ে আর প্রাণ ফিরে পায়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একমাত্র দল যেখানে নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ এই সংগঠনকে ভালবাসে।

অনেক নেতাই চায় না এই দলটি ক্ষমতায় থাকুক তাই তারা স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, ব্যক্তিগত খায়েশ পূরণ করে যা কর্মীদের সাথে,দেশের সাথে ও জনগণের সাথে বেঈমানীর সামিল।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাইরে যেসব নেতাকে আমরা দেখতে পাই এরা আসলে দলের ও দেশের জন্য আবর্জনা। অনেক মুখোশধারীদের নেত্রী ও জনগণ বিশ্বাস করে ভাল জায়গায় অসীন করেছে।তাদের মধ্যে অনেকেই সবার বিশ্বাস ভঙ্গ করে নিজেদের আখের গোছানো নিয়ে ব্যস্ত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তীতে যারা অন্যদলে ছিলো,চাকরি করেছে,ব্যাবসা করেছে তাদের অনেকেই বর্তমানে এমপি,মন্ত্রী ও দলীয় বড় পদের অসীন হয়ে নিজস্ব বলয় ও আত্বীয়দের দিয়ে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ও দেশের বিরুদ্ধে অন্যায় করে যাচ্ছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নির্যাতিত ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের তালিকার পাশাপাশি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে যেসকল সুযোগসন্ধানী ও সুবিধাবাদী পদধারী এমপি মন্ত্রীরা সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছে বা দলের ও দেশের মানুষের ক্ষতি করেছে তাদের তালিকাও করতে হবে।
রাজনৈতিক পদে আসীন হয়ে বা দলের পরিচয়ে সরকারের পদে থেকে যারাই নেতাকর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও অনিয়ম করেছেন তাদেরকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

কতিপয় মন্ত্রী স্থানীয় নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের কোন শাস্তি হয়নি। নেত্রীর করুণায় আজ তারা বেচে আছে, নেত্রী তাদের মাথা থেকে হাত সরিয়ে নিলে তাদের জায়গা হবে জেলে অথবা বিদেশে। আর কর্মী শুন্য ও জনবিচ্ছিন্ন নেতাদেরকে একদিন না একদিন মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বিদায় দিয়ে দিবেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের ভালবাসার দল এখানে ঘৃণা ছড়িয়ে কেউ টিকে থাকতে পারেনি।

বঙ্গবন্ধুর রক্তের ও আদর্শের শতভাগ প্রজ্জ্বলিত বাতিঘর, সারাদেশের তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার জায়গা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দীন নাসিম ভাই বলেছেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যেসকল সুবিধাবাদী নেতারা ভেবেছিলেন সবাইকে বাদ দিয়ে বা তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে শুধুমাত্র নিজেরাই আওয়ামী লীগ করবেন তারাই দল থেকে বিতাড়িত হয়েছেন”।
ত্যাগী ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে আওয়ামী লীগের হয়ে যারা কাজ করবে তারাই দলের হাল ধরবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের জীবনের ত্যাগ,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সীমাহীন ভালবাসার কারনেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখনো প্রচন্ড শক্তিশালী। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন “ষড়যন্ত্র থাকলেও আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মীরা কখনোই আদর্শচ্যুত হয়নি”। ভাল থাকুক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ভাল থাকুক প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।

Facebook Comments