সিরাজগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন চড়ুই পাখির বাসা স্থাপন করলেন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি 

সিরাজগঞ্জে দৃষ্টিনন্দন চড়ুই পাখির বাসা স্থাপন করে তাক লাগিয়ে দিলেন সেচ্ছাসেবকলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ও পাখি প্রেমিক মো: জাকিরুল ইসলাম লিমন। এক সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুই পাখি দেখা যেত। এখন আর সে দিন নেই। কংক্রিটের এই শহরে চড়ুই পাখিরা আজ ছিন্নমূল আশঙ্কাজনক হারে গত কয়েক দশক জুড়ে চড়ুইয়ের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। সিরাজগঞ্জে অনেক এলাকায় চড়ুই পাখি থাকলেও সেখানেও পাখিদের অবস্থা অতটা সুখের নয় বলেই চলে। তারপরও প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা মিললো এই শহরে। প্রতিদিন ঝাঁকে ঝাঁকে চুড়ই পাখি দেখে মুগ্ধ হয় দর্শনার্থীরা। সেই দর্শনার্থীদের মধ্যে থেকেই পাখিদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহন করেন পাখি প্রেমিক জাকিরুল ইসলাম লিমন।

শনিবার(৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহর মুজিব সড়কে দেবদারু গাছে সভাপতি জাকিরুল ইসলাম লিমন ও তার সহযোদ্ধাদের নিয়ে ৫০ টি পোড়া মাটির খুটি ঝুলিয়ে দিয়ে দৃষ্টিনন্দন চড়ুই পাখির বাসা তৈরী করতে দেখা যায়। এই খুঁটির ভিতর পাখি থাকবে বলে জানা যায়। এছাড়াও বাসার উপরে বোর্ডের ছাউনির উপর পাখিদের খাদ্য খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারন পাখিদের যেন অন্য যায়গায় খাবার আহরণ করতে না যেতে হয়ে। এই মানবিক কাজটি পৌর শহর এলাকায় ব্যতিক্রমী মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন ফেলেছে মানুষের মাঝে। এরকম নজর কারা দৃষ্টিনন্দন চড়ুই পাখির বাসা দেখতে ভীড় করছে দর্শনার্থীরা।

সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো: জাকিরুল ইসলাম লিমন বলেন, আমি ছোট বেলা থেকেই পশুপাখি ভালোবাসি। আমি আগে পাখি পালতাম। সেখান থেকেই পাখিদের জন্য ভালোবাসা সৃষ্টি হয়েছে। ঝড়, বৃষ্টির দিনে বা বিরুপ আবহাওয়ায় নিরাপদে নিজ বাসায় থাকতে পারে সেই ব্যাতিক্রমী ব্যবস্থা করেছি। এই পাখিগুলো আমি আমার নিজের যত্নে রাখবো।