বাংলাদেশ কারও স্যাটেলাইট রাষ্ট্র নয়- আমরা আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই লিখব
৩৬ জুলাই-এর পর বাংলাদেশের তরুণেরা যে নতুন যাত্রা শুরু করেছে—সেটি কেবল একটি সরকার পতনের গল্প নয়; একটি শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া, একটি জাতীয় আত্মমর্যাদার পুনর্জাগরণ।
তরুণেরা বলতে চাইছে—
বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে,
সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ,কূটনীতি হবে সমান মর্যাদার ভিত্তিতে, কোনো বিদেশি চাপ বা কূটনৈতিক ছায়া রাজনীতি গ্রহণযোগ্য নয়।
√ স্বাধীনতার ৫০ বছর পর—নতুন প্রশ্ন:
আজ তরুণেরা প্রশ্ন করছে—
কেন প্রতিবেশী দেশ আমাদের ভোটাধিকার নিয়ে উদাসীন ছিল?
কেন মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি? কেন একটি স্বৈরাচারকে খোলা সমর্থন দিয়ে পুরো জাতির উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল?
এ প্রশ্নগুলো যুক্তিযুক্ত—এ প্রশ্নগুলো রাষ্ট্রবিরোধী নয়—বরং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার স্বাভাবিক আওয়াজ।
√ ফ্যাসিস্ট পুনরুত্থানের বিরুদ্ধে সতর্কতা:
বর্তমানে যে পরিবর্তন হয়েছে, তা স্থায়ী নয়—এটা কেবল শুরু। বহিরাগত শক্তি ও তাদের অভ্যন্তরীণ দালালচক্র আবারও চেষ্টা চালাচ্ছে—
অস্থিরতা তৈরির,
সংঘর্ষ উস্কে দেওয়ার, স্বজনপ্রীতিমূলক সরকার ফিরিয়ে আনার, অথবা নিজেরাই প্রভাব বিস্তারের।
এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। এটাই বিপ্লবী প্রজন্মের সতর্কতার কারণ।
পরিশেষে, নতুন বাংলাদেশের পথ একটাই—স্বাধীন কূটনীতি, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, স্বচ্ছ প্রশাসন, এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এক সময়ের দীর্ঘ দমন-পীড়ন যে বিদেশি সমর্থন পেত—এটা বাংলাদেশের মুখকে ক্ষুণ্ণ করেছে।
এবার তরুণেরা বলতে চাইছে—
“বাংলাদেশ কারও স্যাটেলাইট রাষ্ট্র নয়। আমরা আমাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই লিখব। জুলাইয়ের স্পিরিটই হবে সেই ভবিষ্যৎ গড়ার মূলমন্ত্র। জুলাইকে বুকে ধারণ করেই এনসিপি এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।
#খাজা_তারিক
প্রার্থী,
মাগুরা ২
জাতীয় নাগরিক পার্টি