ভোটের মাঠে জোটের লড়াই ও এনসিপির জোট কেন্দ্রিক ভাবনা

ভোটের মাঠে জোটের লড়াই ও এনসিপির জোট কেন্দ্রিক ভাবনা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোট গঠনের দিকে নজর রাজনৈতিক দলগুলোর। থেমে নেই জুলাই বিপ্লবের স্ফুলিঙ্গ থেকে জন্ম নেয়া জনতার রাজনৈতিক দল এনসিপিও। নানা জনে নানা বুদ্ধি সুদ্ধিও দেবার চেষ্টা করছে। কার সাথে জোট হয় কার সাথে জোট নয়। ভোটের মাঠে জোটের লড়াই নিয়ে এনসিপির ভাবনাই বা কেমন হওয়া উচিৎ।  সেসব নিয়েই কিছু কথা শেয়ার করছি-

নতুন বাংলাদেশ গড়তে ও নতুন রাজনীতি উপহার দিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি বিশেষ এক শক্তিরূপে আবির্ভূত হয়েছে। এন সি পি কোনোদিন কারো পেছনে লেজ গুটিয়ে দাঁড়ানো দল হতে পারে না।
এনসিপির কর্মী সমর্থক সেই শক্তি—যে শক্তি নিজেদের পায়ে দাঁড়ায়, নিজেদের পথ নিজেরাই তৈরি করে।

আমরা বিপ্লবী। আর বিপ্লবীদের পরিচয় একটাই—রয়েল বেঙ্গল টাইগার।টাইগারদের কোন জোট লাগে না। টাইগারদের শক্তি টাইগারা নিজেই।

রিকশাওয়ালা ইউনিয়নের জোট থাকে, সুযোগবাদী ও সুবিধাবাদীদের জোট থাকে—
কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট কেবল একটাই: তা হলো মানুষের সাথে।

বিশ্বের কোন রাষ্ট্রপতি কি কোন জোট করে না কি করেছে কোনদিন?
বিশ্ব ইতিহাসে প্রধানমন্ত্রীদের কি কোন সংঘে বা জোটে গিয়ে নাম লেখাতে দেখা গেছে? নেতৃত্ব মানে আত্মসম্মান, এবং আত্মসম্মানের প্রথম শর্ত—স্বাধীন থাকা। আমাদের নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি জোটে যাবে কেন? কোন রাজনৈতিক দল যদি নাগরিক পার্টির সাথে জোটে আসতে চায় তবে নাগরিক পার্টি তা বিবেচনা করতে পারে।
আমাদের জাতীয় নাগরিক পার্টি জোট বানাবে মানুষের হৃদয়ের সাথে।

কারণ—যেখানে জনগণই সবচেয়ে বড় শক্তি, সেখানে অন্য কারো কাঁধে ভর করার প্রয়োজন হয় না। জনগণ নাগরিক পার্টির সাথেই আছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির একটাই দিশা—নীতি, জনগণ আর বিপ্লব। আর এই তিনের জোটই সবচেয়ে শক্তিশালী জোট।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ
সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে —-

#খাজা_তারিক
মাগুরা — ২
জাতীয় নাগরিক পার্টি