গুপ্ত রাজনীতির মুখোশ উন্মোচন করলেন খাজা তারিক

আজ আমি কোনো দলকে আক্রমণ করতে আপনাদের সামনে আসিনি— আমি এসেছি একটি সত্য উন্মোচন করতে।এমন একটি সত্য, যা বহু বছর ধরে আমাদের চোখের সামনে থেকেও অদৃশ্য ছিল— সেটা হলো বাংলাদেশের গুপ্ত রাজনীতি।

গুপ্ত রাজনীতি কবে থেকে শুরু?

বাংলাদেশের রাজনীতি শুরু থেকেই সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ছিল—এমনটা বলা যাবে না। স্বাধীনতার পর থেকেই ক্ষমতার লড়াই, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পর্দার আড়ালের সিদ্ধান্ত—এসব গুপ্ত রাজনীতি ধীরে ধীরে জায়গা করে নিয়েছে।
কখনো রাষ্ট্রক্ষমতার দ্বন্দ্বে, কখনো মতাদর্শের নামে,
কখনো বিদেশি প্রভাবের ছায়ায়—গুপ্ত রাজনীতি শিকড় গেড়েছে।

গুপ্ত কারা? গুপ্ত তারাই—যারা সামনে জনগণের কথা বলে, কিন্তু পেছনে নিজেদের স্বার্থের হিসাব মেলায়। যারা “জনগণের প্রতিনিধি” পরিচয়ে আসে, কিন্তু জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে চায় না। যারা এক হাতে স্লোগান দেয়, আর অন্য হাতে চুক্তি করে।

এবার মুক্ত কারা? মুক্ত তারাই—যারা সত্যকে ভয় পায় না, যারা ভুল করলে স্বীকার করে, যারা ক্ষমতার জন্য নয়—নীতির জন্য দাঁড়ায়। মুক্ত রাজনীতি মানে শুধু কথা না—

স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আর সাহস। ৫ আগস্ট পরবর্তী আজকের বাস্তবতা টা কি? আমরা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু আজ প্রশ্ন করতে হবে—পরিবর্তন হয়েছে, নাকি শুধু মুখ বদলেছে? আজ অনেকেই বলছে—

“গুপ্ত মুক্ত হয়ে গেছে” আমি বলি— না, গুপ্ত মুক্ত হয়নি
গুপ্ত আজ উন্মোচিত হয়েছে আজ মানুষ দেখছে,
বুঝছে, প্রশ্ন করছে— এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন।

শেষ কথাটা হলো —- আজকের বাংলাদেশে আসল যুদ্ধটা দল বনাম দল না। যুদ্ধ টা হল —
√ সত্য বনাম মিথ্যা
√ স্বচ্ছতা বনাম গুপ্ততা
√ চরিত্র বনাম মুখোশ

তাই সিদ্ধান্তটা আপনাদের—
আপনারা কি মুখোশের রাজনীতি চান?
নাকি চরিত্রের রাজনীতি?

মনে রাখবেন —–
“যে রাজনীতি জনগণের চোখে চোখ রেখে কথা বলে—
সেটাই মুক্ত রাজনীতি! আর যে রাজনীতি ছায়ায় লুকিয়ে থাকে—সেটাই গুপ্ত রাজনীতি! এবং আজ—
বাংলাদেশের মানুষ আর অন্ধ নয়!” বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে!

ধন্যবাদ আপনাদের।

মো: তারিকুল ইসলাম (খাজা তারিক)
(লেখক ও গবেষক)
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক,
জাতীয় নাগরিক পার্টি,
মাগুরা জেলা শাখা।