বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ ধনী ব্যক্তি: কারা গড়েছেন দেশের বড় বড় ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য?

কারা গড়েছেন দেশের বড় বড় ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য?

বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ ধনী ব্যক্তি: কারা গড়েছেন দেশের বড় বড় ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য? বাংলাদেশের শীর্ষ ২০ ধনী ব্যক্তি কারা? এ নিয়ে বাংলাদেশের পাঠক সমাজের মধ্যে কৌতুহলের শেষ নেই। গুগল সার্চেও এই টার্মটি উপরের দিকেই থাকে। পাঠকদের সেই দিক মাথায় রেখে বিডিনিউজ ট্র্যাকারের এই বিশেষ ফিচার প্রতিবেদন।

বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তৈরি পোশাক, বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং, ওষুধ, আবাসন, খাদ্যপণ্য, অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মতো বিভিন্ন খাতে তাঁদের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বিস্তৃত।

দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ী পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ্যে জানা যায় না। ফলে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের নির্ভুল তালিকা তৈরি করা কঠিন। তবে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিবেদন, আন্তর্জাতিক সম্পদ তালিকা এবং পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর মালিকানা বিবেচনায় দেশের উল্লেখযোগ্য ধনী ব্যবসায়ীদের পরিচিতি তুলে ধরা যায়।

বাংলাদেশের ২০ জন শীর্ষ ধনী ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি

নিচের তালিকাটি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ধনী ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের পরিচিতিমূলক তালিকা। এটি নির্দিষ্ট সম্পদের পরিমাণ অনুযায়ী যাচাইকৃত র‍্যাঙ্কিং নয়।

১. মুহাম্মদ আজিজ খান
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** সামিট গ্রুপ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বন্দর, অবকাঠামো ও রিয়েল এস্টেট খাতে সামিট গ্রুপের ব্যবসা বিস্তৃত। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতের অন্যতম পরিচিত উদ্যোক্তা মুহাম্মদ আজিজ খান।

ফোর্বসের ২০২৬ সালের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সম্পদের আনুমানিক মূল্য ছিল ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাসিন্দা। তাই তাঁকে বাংলাদেশের বাসিন্দা ধনকুবের হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।

২. সালমান এফ রহমান
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** বেক্সিমকো গ্রুপ

বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত শিল্পোদ্যোক্তা সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা। ওষুধ, বস্ত্র, সিরামিক, বাণিজ্য ও বিভিন্ন শিল্পখাতে গ্রুপটির ব্যবসা রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে।

৩. আহমেদ আকবর সোবহান
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** বসুন্ধরা গ্রুপ

আহমেদ আকবর সোবহান বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। আবাসন, সিমেন্ট, কাগজ, শিল্প, মিডিয়া ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে গ্রুপটির কার্যক্রম রয়েছে।

বাংলাদেশের বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপ অন্যতম। গৌরবের যে রেকর্ড কেবলই আর্জেন্টিনার

৪. মোহাম্মদ সাইফুল আলম
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** এস আলম গ্রুপ

এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। খাদ্যপণ্য, চিনি, ভোজ্যতেল, শিল্প, বিদ্যুৎ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে গ্রুপটির ব্যবসা রয়েছে।

মোহাম্মদ সাইফুল আলম গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।

৫. তপন চৌধুরী
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** স্কয়ার গ্রুপ

তপন চৌধুরী স্কয়ার গ্রুপের অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্ব। ওষুধ, ভোগ্যপণ্য, খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন শিল্পখাতে গ্রুপটির ব্যবসা রয়েছে।

স্কয়ার বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠী।

৬. রাগীব আলী
**ব্যবসায়িক ক্ষেত্র:** চা শিল্প, শিক্ষা ও অন্যান্য ব্যবসা

সিলেটের পরিচিত ব্যবসায়ী রাগীব আলী চা শিল্প ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। চা বাগান, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

৭. ইকবাল আহমেদ
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** সিমার্ক গ্রুপ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা ইকবাল আহমেদ যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিমার্ক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তাঁর ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

৮. নজরুল ইসলাম মজুমদার
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** নাসা গ্রুপ

নজরুল ইসলাম মজুমদার বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও শিল্প খাতের পরিচিত ব্যবসায়ী। নাসা গ্রুপের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

৯. মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** ওরিয়ন গ্রুপ

ওরিয়ন গ্রুপের ব্যবসা ওবায়দুল করিমের নেতৃত্বে বিভিন্ন খাতে বিস্তৃত হয়েছে। ওষুধ, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, নির্মাণ ও অন্যান্য শিল্পখাতে গ্রুপটির কার্যক্রম রয়েছে।

১০. আজম জে. চৌধুরী
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** ইস্ট কোস্ট গ্রুপ

আজম জে. চৌধুরী বাংলাদেশের পরিচিত শিল্পোদ্যোক্তা। জ্বালানি, বাণিজ্য, শিল্প ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে তাঁর গ্রুপের কার্যক্রম রয়েছে।

১১. আবদুল আউয়াল মিন্টু
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** মাল্টিমোড গ্রুপ

আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশের পরিচিত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা। কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, জ্বালানি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

১২. এ কে আজাদ
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** হা-মীম গ্রুপ

এ কে আজাদ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম পরিচিত উদ্যোক্তা। হা-মীম গ্রুপের মাধ্যমে পোশাক উৎপাদন, টেক্সটাইল ও বিভিন্ন শিল্পখাতে ব্যবসা পরিচালিত হয়।

১৩. আনিস উদ দৌলা
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** ইস্কয়ার গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প উদ্যোগ

আনিস উদ দৌলা বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিত্ব। ওষুধ ও বিভিন্ন শিল্পখাতে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

১৪. আহসান খান চৌধুরী
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ

আহসান খান চৌধুরী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন। খাদ্যপণ্য, পানীয়, প্লাস্টিক, গৃহস্থালি পণ্য ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য উৎপাদনে গ্রুপটির ব্যবসা বিস্তৃত।

বাংলাদেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও গ্রুপটির পণ্য পরিচিত।

১৫. সায়েম সোবহান আনভীর
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** বসুন্ধরা গ্রুপ

সায়েম সোবহান আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। আবাসন, শিল্প, বাণিজ্য ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে তিনি যুক্ত।

১৬. শেখ বশির উদ্দিন
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** আকিজবশির গ্রুপ

শেখ বশির উদ্দিন বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনের পরিচিত উদ্যোক্তা। উৎপাদন, শিল্প, বাণিজ্য এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

১৭. মোর্শেদ আলম
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** বাংলাদেশি শিল্প ও বাণিজ্য খাত

মোর্শেদ আলম বাংলাদেশের ব্যবসায়িক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিত্বদের একজন। বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

১৮. শফিউল ইসলাম
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** শিল্প ও তৈরি পোশাক খাত

শফিউল ইসলাম বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে পরিচিত। তৈরি পোশাক, শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

১৯. আবদুল মাতলুব আহমাদ
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** নিটল-নিলয় গ্রুপ

আবদুল মাতলুব আহমাদ বাংলাদেশের পরিচিত শিল্পোদ্যোক্তা। অটোমোবাইল, পরিবহন, শিল্প ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে।

২০. আবুল খায়ের
**ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান:** আবুল খায়ের গ্রুপ

আবুল খায়ের গ্রুপ বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠী। ইস্পাত, সিমেন্ট, তামাক, ভোগ্যপণ্য ও বিভিন্ন শিল্পখাতে গ্রুপটির ব্যবসা রয়েছে।

বাংলাদেশের ধনীদের সম্পদের প্রধান উৎস

বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়ীদের সম্পদ মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

**তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল:** বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্প। এই খাতে বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর ব্যবসা রয়েছে।

**বিদ্যুৎ ও জ্বালানি:** বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন দেশের বড় ব্যবসায়িক সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

**আবাসন ও রিয়েল এস্টেট:** নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে আবাসন ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে।

**ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা:** বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

**খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য:** খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পানীয় এবং দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্য উৎপাদন দেশের বড় ব্যবসায়িক খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম।

## বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি কে?

বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি কে—এ প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ দেশের অধিকাংশ বড় ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশিত হয় না।

ফোর্বসের ২০২৬ সালের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের সম্পদ আনুমানিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তিনি সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাসিন্দা।

বাংলাদেশে পরিচালিত ব্যবসার মালিকদের মধ্যে কার সম্পদ সবচেয়ে বেশি, তা নির্ধারণের জন্য নির্ভরযোগ্য, হালনাগাদ ও তুলনাযোগ্য তথ্য প্রয়োজন।

বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাঁদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাতকে প্রভাবিত করছে।

তবে সম্পদের পরিমাণের ভিত্তিতে নির্ভুল র‍্যাঙ্কিং তৈরি করতে হলে ব্যক্তিগত সম্পদ, কোম্পানির মালিকানা, ঋণ, বিনিয়োগ এবং বিদেশে থাকা সম্পদের যাচাইকৃত তথ্য প্রয়োজন।

**তাই বাংলাদেশের শীর্ষ ধনীদের তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে অনুমাননির্ভর সম্পদের পরিমাণকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন না করে যাচাইযোগ্য তথ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

২০২৬ সালের ১০ মার্চের ফোর্বস তথ্য অনুযায়ী, মুহাম্মদ আজিজ খানের সম্পদ আনুমানিক ১ বিলিয়ন ডলার (১০০ কোটি ডলার)। তিনি বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করলেও বর্তমানে সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাসিন্দা।

অন্যদিকে, সালমান এফ রহমান, আহমেদ আকবর সোবহান, সাইফুল আলমসহ বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত সম্পদের নির্ভরযোগ্য বর্তমান হিসাব প্রকাশ্যে নেই।

একটি অনলাইন প্রতিবেদনে নিচের আনুমানিক সম্পদের হিসাব দেওয়া হয়েছে:

ব্যবসায়ী প্রতিবেদনে উল্লেখিত সম্পদ
মুহাম্মদ আজিজ খান $1 বিলিয়ন
সালমান এফ রহমান $258 মিলিয়ন
রাগীব আলী $250 মিলিয়ন
মোহাম্মদ সাইফুল আলম $207 মিলিয়ন
ইকবাল আহমেদ $162 মিলিয়ন
তপন চৌধুরী $154 মিলিয়ন
নজরুল ইসলাম মজুমদার $58 মিলিয়ন
মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম $41 মিলিয়ন
আহমেদ আকবর সোবহান $21 মিলিয়ন
আজম জে. চৌধুরী $8 মিলিয়ন

সতর্কতা: এগুলো ওই প্রতিবেদনে উল্লেখিত হিসাব, স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত বর্তমান ব্যক্তিগত নেট ওয়ার্থ নয়। বিশেষ করে ব্যক্তিগত সম্পদ ও কোম্পানির মোট সম্পদ এক নয়।

সূত্র: ফোর্বস, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, আল জাজিরা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিবেদন।

*সম্পাদকের নোট: এই তালিকা পরিচিত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের নিয়ে তৈরি। এটি ২০২৬ সালের যাচাইকৃত সম্পদভিত্তিক শীর্ষ ২০ র‍্যাঙ্কিং নয়। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদের পরিমাণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য, তুলনাযোগ্য তথ্য না থাকায় নির্দিষ্ট অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি।*